Koti/Uutiset

Real news. Living language.

Explore daily news stories adapted to help you build reading and listening vocabulary.

Filter by
32 stories available
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: মীন রাশির আজকের দিনFantasia ja YliluonnollinenC1
Sangbad PratidinSep 1

১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: মীন রাশির আজকের দিন

গ্রহ-নক্ষত্রের চলন আর মহাজাগতিক শক্তির প্রভাবে প্রতিটি দিনই আমাদের জীবনে নতুন বার্তা নিয়ে আসে। আজ কার ভাগ্যে সাফল্যের যোগ, আর কে-ই বা সতর্ক থাকবেন, জেনে নিন আজকের রাশিফলে।

১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: কুম্ভ রাশির আজকের দিনElämäC1
Sangbad PratidinSep 1

১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: কুম্ভ রাশির আজকের দিন

গ্রহ-নক্ষত্রের চলন আর মহাজাগতিক শক্তির প্রভাবে প্রতিটি দিনই আমাদের জীবনে নতুন বার্তা নিয়ে আসে। আজ কার ভাগ্যে সাফল্যের যোগ, আর কে-ই বা সতর্ক থাকবেন, জেনে নিন আজকের রাশিফলে।

মাসিক রাশিফল, সেপ্টেম্বর ২০২৬: কুম্ভের ভাগ্যের চাকা কোন দিকে?Koulutus ja KouluC2
Sangbad PratidinSep 1

মাসিক রাশিফল, সেপ্টেম্বর ২০২৬: কুম্ভের ভাগ্যের চাকা কোন দিকে?

বাংলা ১৪৩৩ সনের ভাদ্র ও আশ্বিন মাসের সংযোগস্থলে দাঁড়িয়ে সেপ্টেম্বরের ভাগ্যচক্র। এই মাসে বুধের নিজ রাশি কন্যাতে গোচর এবং সিংহ থেকে কন্যায় সূর্যসংক্রান্তি ঘটছে। সঙ্গে স্বরাশিতে শুক্র ও কর্কটে মঙ্গল অবস্থান করায় তৈরি হচ্ছে বুধাদিত্য ও মালব্য যোগ। ভাদ্রের আমাবস্যা থেকে শারদীয় আশ্বিনের সূচনায় গ্রহের এই গতিবিধি ১২ রাশির জীবনযাত্রায় বিরাট রদবদল আনতে চলেছে। জেনে নিন সেপ্টেম্বর কেমন কাটবে আপনার?

১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: মকর রাশির আজকের দিনTerveysC2
Sangbad PratidinSep 1

১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: মকর রাশির আজকের দিন

গ্রহ-নক্ষত্রের চলন আর মহাজাগতিক শক্তির প্রভাবে প্রতিটি দিনই আমাদের জীবনে নতুন বার্তা নিয়ে আসে। আজ কার ভাগ্যে সাফল্যের যোগ, আর কে-ই বা সতর্ক থাকবেন, জেনে নিন আজকের রাশিফলে।

মাসিক রাশিফল, সেপ্টেম্বর ২০২৬: মকরের ভাগ্যের চাকা কোন দিকে?Liike-elämä ja UraA1
Sangbad PratidinSep 1

মাসিক রাশিফল, সেপ্টেম্বর ২০২৬: মকরের ভাগ্যের চাকা কোন দিকে?

বাংলা ১৪৩৩ সনের ভাদ্র ও আশ্বিন মাসের সংযোগস্থলে দাঁড়িয়ে সেপ্টেম্বরের ভাগ্যচক্র। এই মাসে বুধের নিজ রাশি কন্যাতে গোচর এবং সিংহ থেকে কন্যায় সূর্যসংক্রান্তি ঘটছে। সঙ্গে স্বরাশিতে শুক্র ও কর্কটে মঙ্গল অবস্থান করায় তৈরি হচ্ছে বুধাদিত্য ও মালব্য যোগ। ভাদ্রের আমাবস্যা থেকে শারদীয় আশ্বিনের সূচনায় গ্রহের এই গতিবিধি ১২ রাশির জীবনযাত্রায় বিরাট রদবদল আনতে চলেছে। জেনে নিন সেপ্টেম্বর কেমন কাটবে আপনার?

১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ধনু রাশির আজকের দিনRakkaus ja PerheB2
Sangbad PratidinSep 1

১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ধনু রাশির আজকের দিন

গ্রহ-নক্ষত্রের চলন আর মহাজাগতিক শক্তির প্রভাবে প্রতিটি দিনই আমাদের জীবনে নতুন বার্তা নিয়ে আসে। আজ কার ভাগ্যে সাফল্যের যোগ, আর কে-ই বা সতর্ক থাকবেন, জেনে নিন আজকের রাশিফলে।

মাসিক রাশিফল, সেপ্টেম্বর ২০২৬: ধনুর ভাগ্যের চাকা কোন দিকে?UrheiluA2
Sangbad PratidinSep 1

মাসিক রাশিফল, সেপ্টেম্বর ২০২৬: ধনুর ভাগ্যের চাকা কোন দিকে?

বাংলা ১৪৩৩ সনের ভাদ্র ও আশ্বিন মাসের সংযোগস্থলে দাঁড়িয়ে সেপ্টেম্বরের ভাগ্যচক্র। এই মাসে বুধের নিজ রাশি কন্যাতে গোচর এবং সিংহ থেকে কন্যায় সূর্যসংক্রান্তি ঘটছে। সঙ্গে স্বরাশিতে শুক্র ও কর্কটে মঙ্গল অবস্থান করায় তৈরি হচ্ছে বুধাদিত্য ও মালব্য যোগ। ভাদ্রের আমাবস্যা থেকে শারদীয় আশ্বিনের সূচনায় গ্রহের এই গতিবিধি ১২ রাশির জীবনযাত্রায় বিরাট রদবদল আনতে চলেছে। জেনে নিন সেপ্টেম্বর কেমন কাটবে আপনার?

মাসিক রাশিফল, সেপ্টেম্বর ২০২৬: বৃশ্চিকের ভাগ্যের চাকা কোন দিকে?Yhteiskunta ja Ajankohtaiset asiatB1
Sangbad PratidinSep 1

মাসিক রাশিফল, সেপ্টেম্বর ২০২৬: বৃশ্চিকের ভাগ্যের চাকা কোন দিকে?

বাংলা ১৪৩৩ সনের ভাদ্র ও আশ্বিন মাসের সংযোগস্থলে দাঁড়িয়ে সেপ্টেম্বরের ভাগ্যচক্র। এই মাসে বুধের নিজ রাশি কন্যাতে গোচর এবং সিংহ থেকে কন্যায় সূর্যসংক্রান্তি ঘটছে। সঙ্গে স্বরাশিতে শুক্র ও কর্কটে মঙ্গল অবস্থান করায় তৈরি হচ্ছে বুধাদিত্য ও মালব্য যোগ। ভাদ্রের আমাবস্যা থেকে শারদীয় আশ্বিনের সূচনায় গ্রহের এই গতিবিধি ১২ রাশির জীবনযাত্রায় বিরাট রদবদল আনতে চলেছে। জেনে নিন সেপ্টেম্বর কেমন কাটবে আপনার?

১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: বৃশ্চিক রাশির আজকের দিনYstävyys ja IhmissuhteetA2
Sangbad PratidinSep 1

১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: বৃশ্চিক রাশির আজকের দিন

গ্রহ-নক্ষত্রের চলন আর মহাজাগতিক শক্তির প্রভাবে প্রতিটি দিনই আমাদের জীবনে নতুন বার্তা নিয়ে আসে। আজ কার ভাগ্যে সাফল্যের যোগ, আর কে-ই বা সতর্ক থাকবেন, জেনে নিন আজকের রাশিফলে।

১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: তুলা রাশির আজকের দিনUrheiluC2
Sangbad PratidinSep 1

১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: তুলা রাশির আজকের দিন

গ্রহ-নক্ষত্রের চলন আর মহাজাগতিক শক্তির প্রভাবে প্রতিটি দিনই আমাদের জীবনে নতুন বার্তা নিয়ে আসে। আজ কার ভাগ্যে সাফল্যের যোগ, আর কে-ই বা সতর্ক থাকবেন, জেনে নিন আজকের রাশিফলে।

বালি পাচার রুখতে ই-চালান, জিপিএস ও জিও ট্যাগিং অস্ত্র, আটকে ডাম্পারInspiraatio ja HuumoriA1
Ei SamaySep 1

বালি পাচার রুখতে ই-চালান, জিপিএস ও জিও ট্যাগিং অস্ত্র, আটকে ডাম্পার

এই সময়, আসানসোল: বারাবনি থানার ওসি দিব্যেন্দু মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এক অভিনব আন্তঃরাজ্য বালি পাচার কেলেঙ্কারি ধরা পড়ার পরেই বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমানার পুলিশকে প্রতিটি বালি ভর্তি ট্রাকের ই-চালান, জিপিএস ও জিও ট্যাগিং মিলিয়ে দেখার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বারাবনির অজয় নদের রুনাকুরা ঘাটে বিহারের নালন্দার ই-চালান দেখিয়ে ঝাড়খণ্ডের নলা থানার মহেশমুন্ডা থেকে বালি তোলার খবর পেতেই অভিযান চালায় আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট। ওজনের কাগজেও ব্যাপক অনিয়ম পাওয়া যায়। ঘটনার পর ট্রাকের চালক ও খালাসিকে গ্রেপ্তার করে চার দিনের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। কমিশনারেটের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা বুঝেছেন, জিও ট্যাগিং ও জিপিএস ছাড়া ভুয়ো চালান রোখা অসম্ভব। সীমানা এলাকার পুলিশ ও চেকপোস্টগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বালি ভর্তি প্রতিটি ট্রাকের ই-চালানের সঙ্গে জিপিএস ও জিও ট্যাগিংয়ের মাধ্যমে বালির উৎসের স্থান মিলিয়ে দেখতে হবে। সঠিক ভিএলটিডি (ভেহিক্যাল লোকেশন ট্র্যাকিং ডিভাইস) ও সঠিক লোকেশন না থাকলে ই-চালান থাকলেও গাড়ি ছাড়বে না পুলিশ।প্রশাসনের এই কঠোর নির্দেশ আসতেই তৈরি হয়েছে জটিলতা। বিহারের জামুই থেকে ডানকুনির উদ্দেশে আসা ১০-১২টি বালি বোঝাই ডাম্পারকে জিপিএস ও বৈধ কাগজপত্র না-থাকায় রূপনারায়ণপুর চেকপোস্টে আটকে দেওয়া হয়। অনেক চালকের ই-চালানের সময়সীমাও উত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছে। ফলে সোমবার সকালে ট্রাকগুলি মিহিজাম ও সীমানা লাগোয়া বিভিন্ন রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। আটকে থাকা ট্রাকচালকরা দাবি করছেন, রাস্তায় বেরিয়ে পড়া গাড়িগুলির ক্ষেত্রে আপাতত কোনও সমাধানসূত্র বের করে রাজ্য সরকার যাতে তাদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করে। যদিও সীমানা পারাপারে কড়াকড়ির মাধ্যমে ভুয়ো চালান ও পাচার চক্র রুখতে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ডুবুরডি, রুনাকুরাঘাট এবং রূপনারায়ণপুর চেকপোস্টে নজরদারি আরও জোরদার করেছে পুলিশ।

পেন্টাগনে ফের বড় ধাক্কা, ইরান যুদ্ধের মাঝে আমেরিকান সেনা সচিবের পদত্যাগ, হেগসেথের সঙ্গে ক্ষমতার সংঘাত?Rakkaus ja PerheB2
Ei SamaySep 1

পেন্টাগনে ফের বড় ধাক্কা, ইরান যুদ্ধের মাঝে আমেরিকান সেনা সচিবের পদত্যাগ, হেগসেথের সঙ্গে ক্ষমতার সংঘাত?

ইরান যুদ্ধের মাঝেই আমেরিকান সেনা সচিবের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ড্যান ড্রিসকল। সোমবার তাঁর ইস্তফার কথা নিশ্চিত করেছে হোয়াইট হাউস। তবে কেন তিনি পদ ছাড়লেন, তা জানা যায়নি। উল্লেখ্য, গত বছরের (২০২৫) ২৫ ফেব্রুয়ারি সেনা সচিবের পদে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।আমেরিকান সংবাদমাধ্যমগুলির রিপোর্ট অনুযায়ী, কয়েক মাস ধরেই প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের সঙ্গে ড্রিসকলের টানাপড়েন চলছিল। পেন্টাগনে কার কতটা ক্ষমতা ও প্রভাব থাকবে, তা নিয়েও দু’জনের মধ্যে মতবিরোধ চরমে উঠেছিল বলে খবর। প্রতিরক্ষা সচিবের দায়িত্ব নেওয়ার পরেই আমেরিকান সেনাবাহিনীর একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিককে বদলি করতে শুরু করেন হেগসেথ। গত এপ্রিলেই সেনাবাহিনীর শীর্ষ আধিকারিক জেনারেল র‌্যান্ডি জর্জকে সরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। পদত্যাগ করেছিলেন ইউরোপ ও আফ্রিকায় আমেরিকান সেনাবাহিনীর দায়িত্বে থাকা জেনারেল ক্রিস্টোফার ডোনাহুও। জর্জকে সরানোর খবর শুনে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন ড্রিসকল। তার পরেই জর্জের জায়গায় জেনারেল ক্রিস্টোফার লানিভেকে নিয়ে আসেন হেগসেথ। ড্রিসকলের আমলে শুরু হওয়া সেনাবাহিনীর কিছু আধুনিকীকরণ প্রকল্প বন্ধ করে দেন তিনি। সেই সময় থেকেই বিরোধের সূত্রপাত বলে জানা গিয়েছে।আমেরিকান ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের বন্ধু ছিলেন ড্রিসকল। ট্রাম্প প্রশাসনে যোগ দেওয়ার আগে ভ্যান্সের উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। সেনাবাহিনীতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল। এমনকী ঘনিষ্ঠতা ছিল আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেও। ইউক্রেনকে ফের আলোচনার টেবিলে নিয়ে আসার জন্য তাঁকেই দায়িত্ব দিয়েছিলেন ট্রাম্প।কে এই ড্রিসকলড্রিসকল ২০০৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত মার্কিন সেনাবাহিনীতে আর্মার অফিসার হিসেবে কাজ করেছেন। ২০০৯ থেকে ২০১০ পর্যন্ত ইরাকে মোতায়েন ছিলেন। তাঁর বাবা ও দাদাও আমেরিকান সেনাবাহিনীর অফিসার ছিলেন। ২০২৪-এ ট্রাম্প তাঁকে সেনাসচিব পদে মনোনীত করেন। সে সময় ড্রিসকলকে ‘পরিবর্তনের কারিগর’ আখ্যা দিয়েছিলেন তিনি।গভীর রাতে ধারালো অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ, লন্ডনে ভারতীয় যুবককে হত্যার অভিযোগ

কল আছে, তবু ৪ মাস জল নেই! বন্ধ পাম্প হাউস, ঝুলছে গেরুয়া পতাকাInspiraatio ja HuumoriA1
Ei SamaySep 1

কল আছে, তবু ৪ মাস জল নেই! বন্ধ পাম্প হাউস, ঝুলছে গেরুয়া পতাকা

এই সময়, ধূপগুড়ি: বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের সংযোগ রয়েছে। ভোটের ফল বেরনোর পরের দিন থেকে হঠাৎ করে জল বন্ধ। যে পাম্পের মাধ্যমে গোটা এলাকায় পানীয় জল সরবরাহ করা হতো তার গেটে বিজেপির পতাকা লাগিয়ে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাম্পের দায়িত্বে থাকা কর্মীকেও ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। চার মাস ধরে জল পাচ্ছেন না জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি ব্লকের গাদং-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝাড়শালবাড়ি এলাকার ছ'শো পরিবার। এত দিন ধরে স্থানীয় প্রশাসন কেন কিছু করেনি, প্রশ্ন উঠেছে।হঠাৎ করে জল বন্ধ কেন? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গ্রামবাসী জানিয়েছেন, এই বুথের ভোটাররা বিধানসভা ভোটে তৃণমূলকে ভোট দেওয়ায় তার শাস্তি হিসেবে জলের পাম্প অফিস বন্ধ করে দিয়েছেন বিজেপি কর্মীরা। অভিযোগ উড়িয়ে বিজেপির দাবি, পানীয় জল সরবরাহ কোনও বিজেপি কর্মী করেননি। স্থানীয় গ্রামবাসী চঞ্চল সরকার বলেন, 'ভোটের ফল বেরোনোর আগের দিন পর্যন্ত আমরা নিয়মিত জল পেয়েছি। কিন্তু তারপরে হঠাৎ করে জল বন্ধ হয়ে যায়। বাড়ির ট্যাপ থেকেও এখন আর জল পড়ছে না। বহু বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ রয়েছে। কল রয়েছে, অথচ জল নেই।' আশি বছরের প্রফুল্লা সরকারের কথায়, 'এই বয়সে অনেক দূর থেকে জল নিয়ে আসতে হচ্ছে। আগে বাড়ির কলেই জল পেতাম। এখন কখনও নলকূপ, কখনও পুকুরের জল ব্যবহার করতে হচ্ছে। ওই জল দিয়ে রান্না, স্নান, ঘরের কাজ-সবই করতে হচ্ছে।'শুধু জল সরবরাহ বন্ধ করা নয়, পাম্প রক্ষণাবেক্ষণ ও দেখভালের দায়িত্বে থাকা কর্মীকেও সেখানে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। পাম্পের অস্থায়ী কর্মী জ্যোতিষ সরকার বলেন, 'পাম্পের গেটে তালা লাগিয়ে দেওয়ায় ভিতরে ঢুকতে পারছি না। কাজ করতে না-পারায় বেতনও বন্ধ হয়ে গিয়েছে।' বিজেপির দাবি, গাদং-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের পাঁচটি এলাকার মানুষকে ওই পাম্প থেকে পানীয় জল দেওয়ার কথা ছিল। বর্তমানে একটি গ্রামের মানুষ ওই পরিষেবা পাচ্ছেন। কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ায় অন্য এলাকার বাসিন্দারা এসে পাম্পে তালা মেরে দিয়েছেন। বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সাধারণ সম্পাদক চন্দন দত্ত বলেন, 'কেউ যদি তালা মেরে থাকে, তাহলে প্রশাসন পদক্ষেপ করবে। বিজেপির পতাকা কেউ বা কারা লাগিয়েছে তবে এর সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই।' সিপিএমের ধূপগুড়ি এরিয়া কমিটির সম্পাদক জয়ন্ত মজুমদারের প্রশ্ন, 'চার মাস ধরে জল বন্ধ অথচ প্রশাসন এতদিন কেন ব্যবস্থা নিল না, গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানই বা কেন উদ্যোগ নিলেন না বুঝতে পারছি না।' গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য দিপালি সরকার বলেন, 'ভোটের ফলাফলের পরে কিছু মানুষ এসে তালা মেরে দিয়ে বিজেপির পতাকা লাগিয়ে দেয়। বিষয়টি প্রধান এবং পিএইচই দপ্তরের আধিকারিকদের জানানো হয়েছিল।' ধূপগুড়ির বিডিও সোমনাথ হালদার বলেন, 'কোনও গ্রামবাসী অভিযোগ করেননি। ডেপুটেশনও দেননি। আমি খোঁজ নিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।'

জিমে যাচ্ছেন, ডায়েট করছেন, তবু পেটের মেদ কমছে না, কারন কি?ElämäA2
Prothom AloSep 1

জিমে যাচ্ছেন, ডায়েট করছেন, তবু পেটের মেদ কমছে না, কারন কি?

স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কাছে খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে দৌড়াতে যাওয়া যেন ভালো থাকার প্রতীক। ভোরের নরম আলো, কানে হেডফোন, পায়ে দৌড়ের জুতা শুরু হয়ে যায় দিনের প্রথম শরীরচর্চা। কেউ আবার সকাল সকাল জিমে গিয়ে ঘাম ঝরান।

পিটুলিগাছ যেভাবে আগলে রাখে নদীর পাড়Liike-elämä ja UraA1
Prothom AloSep 1

পিটুলিগাছ যেভাবে আগলে রাখে নদীর পাড়

জায়গায় সাধারণ গাছ বাঁচতে পারে না, জলাবদ্ধ মাটি, বছরে কয়েক মাস ডুবে থাকা চর, নদীর টানা স্রোতের ধাক্কা, সেখানেই পিটুলি বেঁচে থাকে অনায়াসে। শিকড় ছড়িয়ে দেয় গভীরে আর চারপাশে

ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের হারানো প্রবন্ধের গোপন রহস্য ১৫ বছর পর কে ফাঁস করলYhteiskunta ja Ajankohtaiset asiatB2
Prothom AloSep 1

ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের হারানো প্রবন্ধের গোপন রহস্য ১৫ বছর পর কে ফাঁস করল

২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসের এক শীতের দিন। জার্মানির একটি বিজ্ঞান পত্রিকার ওয়েবসাইটে কেউ একজন বোতাম চাপল। কোনো ঘোষণা নেই, নেই কোনো ব্যাখ্যা। চোখের পলকে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের লেখা দুটো প্রবন্ধের পাতা ফাঁকা হয়ে গেল! সেখানে শুধু এক লাইনের একটি নোটিশ ঝুলছে—‘কপিরাইট লঙ্ঘনের কারণে প্রত্যাহার’। প্রবন্ধ দুটো ছাপা হয়েছিল চল্লিশের দশকে, নাচুরভিসেনশাফটেন নামে একটি পত্রিকায়। এরপর প্রায় দেড় দশক কেটে গেল, কিন্তু কেউ টেরই পেল না।ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক তখন আর বেঁচে নেই। তিনি মারা গেছেন ১৯৪৭ সালে। তাঁকে বলা হয় কোয়ান্টাম তত্ত্বের জনক। ১৯১৮ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। ১৯৩৩ সালে হিটলারের সামনে দাঁড়িয়ে ইহুদিবিরোধী আইনের বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিবাদও করেছিলেন। অথচ হঠাৎ করেই রিট্র্যাকশন ওয়াচের একটি তালিকায় তাঁর নাম উঠে আসে! যে নোবেলজয়ীদের প্রবন্ধ প্রত্যাহার করা হয়েছে, এটি মূলত তাদেরই তালিকা।তালিকাটি তৈরি করা হয়েছিল ২০২৪ সালে। ঠিক দুই বছর পর এই তালিকায় চোখ বোলাতে গিয়ে থমকে যান কানাডার ইতিহাসবিদ ইভ জাঁগ্রা। প্ল্যাঙ্কের নাম দেখে তাঁর খটকা লাগে। তিনি বুঝতে পারেন, কোথাও একটা গড়বড় আছে! মন্ট্রিয়লে বসে তিনি সঙ্গে সঙ্গে ফোন করেন কুইবেক ত্রোয়া-রিভিয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকর্মী মাহদি খেলফাউইকে। দুজনের কথা হয়, কৌতূহল বাড়ে। রহস্য উদ্ঘাটনে দুজনে মিলে শুরু করেন খোঁড়াখুঁড়ি।অনিচ্ছুক বিপ্লবী ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক১৯১৮ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। ১৯৩৩ সালে হিটলারের সামনে দাঁড়িয়ে ইহুদিবিরোধী আইনের বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিবাদও করেছিলেন।খোঁজ নিয়ে যা বেরিয়ে এল, তাতে কেলেঙ্কারির কোনো গন্ধই নেই! প্রথম প্রবন্ধটি ছাপা হয়েছিল ১৯৪০ সালে। সেটি ছিল আরেকজন বিজ্ঞানীর একটি লেখার জবাব। তখনকার প্রথা মেনে আগের লেখাটির শিরোনামই হুবহু রাখা হয়েছিল। দ্বিতীয় লেখাটি ছিল একটি দার্শনিক রচনা, যা প্রকাশিত হয় দুই বছর পর। নাম ছিল ‘সিন উন্ড গ্রেনৎসেন ডেয়ার এক্সাক্টেন ভিসেনশাফট’। বাংলায় এর অর্থ দাঁড়ায়, ‘সঠিক বিজ্ঞানের অর্থ ও তার সীমা’। বিজ্ঞান কীভাবে নিশ্চয়তায় পৌঁছায়, তা নিয়ে একজন প্রবীণ বিজ্ঞানীর ভাবনা ছাড়া এটি আর কিছুই না।ইতিহাসবিদ খেলফাউই খুঁজে বের করেন, লেখাগুলো সে সময় একাধিক জায়গায় ছাপা হয়েছিল। এমনকি দুটি বইয়েও পুনর্মুদ্রিত হয়েছিল। আজকের যুগে একে বলা যায় স্বকপিরাইট লঙ্ঘন। মানে নিজের লেখার কপিরাইট নিজেই ভাঙা। কিন্তু চল্লিশের দশকে এটি ছিল একেবারেই স্বাভাবিক ব্যাপার। তখন ইন্টারনেট ছিল না। বিজ্ঞানজগৎ ছিল ছোট ছোট অংশে বিভক্ত। একেকটি পত্রিকা কেবল একেক দলের পাঠকের কাছে পৌঁছাত। এ প্রসঙ্গে খেলফাউই বলেন, লেখকেরা চাইতেন তাঁদের কাজ যেন আরও বেশি পাঠকের কাছে পৌঁছায়। বিজ্ঞান তখন আজকের মতো একীভূত ছিল না। শোনা যায়, স্বয়ং আলবার্ট আইনস্টাইনও এমনটা করতেন! অথচ তাঁর নামে আজ পর্যন্ত কোনো প্রবন্ধ প্রত্যাহারের অভিযোগ নেই।প্ল্যাঙ্ক স্কেলের রহস্য: যেখানে সবকিছু ভেঙে পড়েইতিহাসবিদ খেলফাউই খুঁজে বের করেন, লেখাগুলো সে সময় একাধিক জায়গায় ছাপা হয়েছিল। এমনকি দুটি বইয়েও পুনর্মুদ্রিত হয়েছিল। আজকের যুগে একে বলা যায় স্বকপিরাইট লঙ্ঘন।রহস্যের জট খুলতে মে মাসে জাঁগ্রা ও খেলফাউই আরকাইভ ওয়েবসাইটে একটি প্রি-প্রিন্ট গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। সেখানে তাঁরা জানান, স্প্রিঙ্গার নেচার প্রকাশনীর এই সিদ্ধান্তটি সেকেলে এবং ঐতিহাসিক রেকর্ডকে বিকৃত করছে। জুনের শেষ দিকে বিখ্যাত সায়েন্স ম্যাগাজিনে এই খসড়া নিয়ে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়। সেখান থেকেই বাতাসে একটি নতুন তত্ত্ব ছড়িয়ে পড়ে—হয়তো এর পেছনে কোনো স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার বা বট দায়ী!ওই পত্রিকাটির নাম এখন বদলে রাখা হয়েছে দ্য সায়েন্স অব নেচার। পত্রিকাটির সম্পাদক সুজান স্কারলেট প্রকাশনা সংস্থার ভেতরের নজরদারি ব্যবস্থার দিকে ইঙ্গিত করে বটের বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। কিন্তু স্প্রিঙ্গার নেচার কর্তৃপক্ষ এটি সরাসরি অস্বীকার করে। তাদের একজন মুখপাত্র সায়েন্স ম্যাগাজিনকে জানান, প্রবন্ধ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তটি মানুষেরই ভুল ছিল, কোনো সফটওয়্যার বা বট এর সঙ্গে জড়িত নয়। রিট্র্যাকশন ওয়াচের সহপ্রতিষ্ঠাতা ইভান অরান্সকিরও এই বট তত্ত্বে ভরসা নেই। কারণ, ২০১১ সালে এখনকার মতো বটের এত ব্যাপক ব্যবহার ছিল না।তবে জাঁগ্রা পুরোপুরি সন্তুষ্ট হতে পারেননি। কারণ, কে বিশ্বাস করবে যে ২০১১ সালে স্প্রিঙ্গার-এর কোনো কর্মী বসে বসে ঠিক করলেন যে, একজন মৃত বিজ্ঞানীর দুটো সাধারণ প্রবন্ধ সরিয়ে ফেলা দরকার? তা-ও আবার এমন একজন মানুষ, যিনি তত দিনে ৬৪ বছর ধরে পৃথিবীতে নেই! কী কারণে, কার স্বার্থে এই কাজ করা হলো; সেই প্রশ্নের উত্তর আজও ঠিকমতো পাওয়া যায়নি।প্ল্যাঙ্ক সময় কাকে বলেপত্রিকাটির সম্পাদক সুজান স্কারলেট প্রকাশনা সংস্থার ভেতরের নজরদারি ব্যবস্থার দিকে ইঙ্গিত করে বটের বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। কিন্তু স্প্রিঙ্গার নেচার কর্তৃপক্ষ এটি সরাসরি অস্বীকার করে।অবশেষে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে স্প্রিঙ্গার নেচার নিজেদের সিদ্ধান্ত পাল্টে ফেলে। ৬ জুলাই প্রবন্ধ দুটি আবার ওয়েবসাইটে ফিরিয়ে আনা হয়। ওই পাতায় এখন দুটি তারিখ পাশাপাশি বসেছে। একটি ২৩ ডিসেম্বর ২০১১, যেদিন প্রবন্ধ প্রত্যাহার করা হয়েছিল। অন্যটি ৬ জুলাই ২০২৬, যেদিন মানবিক ভুলের কারণে তা আবার ফিরিয়ে আনা হলো।স্প্রিঙ্গার নেচার-এর গবেষণা সততা বিভাগের প্রধান টিম কেয়ারশেস আগেই গিজমোডো ওয়েবসাইটকে জানিয়েছিলেন, ভুলটা মানুষেরই ছিল। কিন্তু কোন বিভাগে, কার হাতে, কোন প্রক্রিয়ায় এই ভুল হলো—তার বিস্তারিত জবাব আজও কেউ দেয়নি। রিট্র্যাকশন ওয়াচের নিবন্ধের নিচে এক পাঠক মন্তব্য করেছেন, ‘যে বা যারা এই কাজ করেছিল, তারা নিশ্চয়ই এখন আর ওখানে চাকরি করে না!’ আরেকজন লিখেছেন, ‘একজন মৃত মানুষকে নিয়ে এভাবে চুপিসারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে আসল উদ্দেশ্য কী হতে পারে, তা কি কেউ ভেবে দেখেছে?’সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার হলো, প্ল্যাঙ্কের ওই প্রবন্ধ দুটোর বৈজ্ঞানিক সততা নিয়ে কিন্তু কখনো কোনো প্রশ্ন ওঠেনি। সেখানে কোনো তথ্য জালিয়াতি ছিল না, নৈতিক নিয়মও ভাঙা হয়নি, কিংবা কোনো বড় ভুল হিসাবও ছিল না। ব্যাপারটা অনেকটা পুরোনো দিনের নিয়মকে আজকের মানদণ্ডে বিচার করার মতো। সেই বিচারের শাস্তি গিয়ে পড়ল এমন একজনের ঘাড়ে, যিনি নিজে কখনো এর জবাব দিতে পারবেন না।কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় সবকিছুই কি অনিশ্চিতঅদ্ভুত ব্যাপার হলো, প্ল্যাঙ্কের প্রবন্ধ দুটোর বৈজ্ঞানিক সততা নিয়ে কখনো কোনো প্রশ্ন ওঠেনি। সেখানে কোনো তথ্য জালিয়াতি ছিল না, নৈতিক নিয়মও ভাঙা হয়নি, কিংবা কোনো বড় ভুল হিসাবও ছিল না।জাঁগ্রা ও খেলফাউই তাঁদের প্রি-প্রিন্টে লিখেছেন, ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক সে সময়ের জীবিত পদার্থবিজ্ঞানীদের মধ্যে সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তি ছিলেন। ইতিহাসবিদরা তাঁকে অত্যন্ত সরল ও ন্যায়নিষ্ঠ মানুষ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাই ইতিহাসবিদদের কাছে এটা বিশ্বাস করা কঠিন যে, প্ল্যাঙ্কের জীবদ্দশায় এ লেখাগুলো প্রত্যাহার করা হতে পারত, কিংবা পরে কোনো যুক্তিসংগত কারণে এগুলো সরিয়ে ফেলা হতো।যে প্রবন্ধ দুটো নিয়ে এত তুলকালাম কাণ্ড, সেগুলোতে নতুন কোনো সমীকরণ নেই। নেই কোনো যুগান্তকারী বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব। আছে শুধু একজন বয়স্ক বিজ্ঞানীর কিছু অমূল্য ভাবনা—বিজ্ঞান কত দূর যেতে পারে আর কোথায় তার সীমা টানা উচিত। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে সেই ভাবনাগুলো একটি ওয়েবসাইটের পাতায় ফাঁকা পড়ে ছিল। এখন সেগুলো ফিরে এসেছে ঠিকই, কিন্তু কেন হারিয়ে গিয়েছিল, সেই রহস্য এখনো কারও টেবিলে ফাইলবন্দী হয়ে আছে।লেখক: সাবেক শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সূত্র: সায়েন্সকোয়ান্টাম মেকানিকস নিয়ে ৭টি ভুল ধারণা

নেচে–গেয়ে আলোচনায় দোলাAikuistuminen ja ElämänopetuksetC2
Prothom AloSep 1

নেচে–গেয়ে আলোচনায় দোলা

আইটেম গান ‘কিসমত’ গেয়ে আলোচনায় সংগীতশিল্পী দোলা রহমান। গানটির ভিডিও চিত্রে তাঁকে নাচতেও দেখা গেছে। গানটিতে তাঁর সঙ্গে কণ্ঠ দেন ডি রকস্টার নিলয়। গানটিসহ নানা বিষয়ে কথা বলেছেন দোলা।‘দোলা বেস্ট।’ ইউটিউবে ‘কিসমত’ গানটি শুনে লিখেছেন মোস্তাক মিয়া নামের এক শ্রোতা। ২৩ আগস্ট গানটি প্রকাশ করেছে সংগীত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান গানচিল। সাত দিনের ব্যবধানে গানের ভিডিওটি ৮৪ হাজারের বেশিবার ‘ভিউ’ হয়েছে। গতকাল প্রথম আলোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘খুব ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছি। অনেকেই গানটির প্রশংসা করছেন।’গানের সঙ্গে নাচ‘কিসমত’ গানটির ভিডিও চিত্রে গাওয়ার পাশাপাশি দোলাকে নাচতেও দেখা গেছে। ‘আমি দোলা’ গানেও এর আগে নেচেছেন তিনি। দেশের বাইরের শিল্পীদের মধ্যে এমন চর্চা থাকলেও বাংলাদেশে এখনো এটি খুব বেশি প্রচলিত নয়। তাই বিষয়টি নিয়ে নিয়মিত কাজ করতে চান দোলা, ‘বাইরে বিষয়টা খুব স্বাভাবিক। “আমি দোলা” যখন করেছি, তখন মাথায় ছিল—আমরা যদি বাংলাদেশে এমন একটা জিনিস ক্রিয়েট করতে পারি, যেখানে একজন শিল্পী একই সঙ্গে পারফর্মও করবে, গাইবেও, তাহলে হয়তো অনেকেই অনুপ্রাণিত হবে।’সংগীতশিল্পী দোলা রহমানসেমি ক্লাসিক্যাল থেকে আইটেমসেমি ক্লাসিক্যাল ও আইটেম গান—দুই ধরনের গানেই সাবলীল দোলা। তিনি বলেন, ‘এই জার্নিটা আমি খুব এনজয় করি। যখন সবাই আমাকে বলে, “ভার্সেটাইল দোলা”—ব্যাপারটা আমার কাছে খুব এক্সাইটিং। এক জনরা থেকে আরেক জনরায় বিচরণ করতে আমি পছন্দ করি।’তাঁর ভাষ্য, ‘আমার মনে হয়, যতটুকু শিখেছি, সেটাকে যদি আরও এক্সপ্লোর করতে পারি, আরও কয়েকটা জনরা ভেঙে গান করতে পারি, তাহলে ভালো লাগবে।’গানে তাঁর বড় ভাই সুরকার ও সংগীত পরিচালক অদিত রহমানের অবদান রয়েছে বলে জানান দোলা। তিনি বলেন, ‘ওর (ভাই) একটা বড় ইনফ্লুয়েন্স আমার ওপর আছে। ডিফারেন্ট ডিফারেন্ট গান করার যে ব্যাপার, নতুনত্ব আনার চেষ্টা—এখানে ওর অনেকটা অবদান আছে। চেষ্টা করে যাচ্ছেন, আমি যেন আরও করতে পারি।’সংগীতশিল্পী দোলা রহমানপ্রজেক্ট অদিতেরিয়ানসঅদিত রহমান ও দোলা রহমানের ‘প্রজেক্ট অদিতেরিয়ানস’ নামে গানের প্রকল্প রয়েছে। সেমি ক্লাসিক্যাল ও ফিউশনধর্মী কাজ করেন তাঁরা। দোলা বলেন, ‘দুজনের চেষ্টা ছিল—আমাদের যে অরিজিন, আমাদের সেমি ক্লাসিক্যালকে যদি মডার্ন মিউজিকের সঙ্গে প্রেজেন্ট করতে পারি, তাহলে প্রতিটা জেনারেশন এনজয় করবে। ওই ভাবনা থেকেই শুরু করা।’ ২০১৫ সাল থেকে প্রকল্পটিতে গান করছেন তাঁরা। এটি কোনো ব্যান্ড নয়, স্পষ্ট করেন দোলা, ‘ওটা প্রজেক্ট। আমাদের দুই ভাই-বোনের একটা ভালোবাসার জায়গা থেকে কাজটা করছি।’ দোলা জানান, গত বছর ও তার আগের বছর যেমন কাজ এসেছে, এ বছরও নতুন কাজ আসবে। অভিনয়ের প্রস্তাবগানের পাশাপাশি নিয়মিত ক্যামেরার সামনেও কাজ করছেন দোলা। অভিনয়ের প্রস্তাবও পেয়েছেন। তবে যেকোনো প্রস্তাবেই রাজি হতে চান না তিনি, ‘সব সময় বলি, ওই জিনিসটাই করব, যেটা আমার মনে হয় আমি ১০০ শতাংশ করতে পারি।’ তাঁর শর্তটাও পরিষ্কার, ‘এ রকম যদি কোনো কিছু আসে, যেটা আমার মনে হয় আমি পুল অফ করতে পারব, মেবি ইয়েস। বাট হ্যাঁ, এমনি জাস্ট করার জন্য আমি কখনো করব না।’এই ঘরানা নিয়ে খুব একটা কাজ হয়নিসংগীতশিল্পী দোলা রহমানসামনে কীবরবাদ সিনেমায় ‘চাঁদ মামা’ গেয়ে আলোচিত হয়েছেন দোলা রহমান। সিনেমায় নিয়মিত গাইছেন তিনি। পাশাপাশি এটা আমাদেরই গল্পসহ বেশ কয়েকটি নাটকে গেয়েছেন। সিনেমার পাশাপাশি নাটকে গাওয়ার প্রসঙ্গে দোলা বলেন, ‘আমাদের সিনেমার প্রেশারটা পুরো বছর ওভাবে থাকে না। কারণ, সিনেমার রিলিজটা ঈদ বেজড হয় বা একটা নির্দিষ্ট সময় ধরে হয়। আর নাটক পুরো বছরই চলতে থাকে।’ সঙ্গে একক গান তো রয়েছেই। তিনি জানান, শিগগিরই নতুন কয়েকটি গান প্রকাশিত হবে।আগামী পাঁচ বা দশ বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান—এমন প্রশ্নে দোলার উত্তর, ‘অত দূর চিন্তা করি না। আই লিভ ইন এভরিডে। আমার জাস্ট এটাই চেষ্টা থাকে, যেন ভালো কিছু কাজ উপহার দিতে পারি।’

আজ টিভিতে যা দেখবেন (১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)RuokaC1
Prothom AloSep 1

আজ টিভিতে যা দেখবেন (১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)

নারী এশিয়া কাপ ক্রিকেটে আজ মুখোমুখি পাকিস্তান ও থাইল্যান্ড। নিউইয়র্কে চলছে ইউএস ওপেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় চার দিনের ম্যাচ খেলছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল।

ইস্যু আসে ইস্যু যায়...RuokaA1
Prothom AloSep 1

ইস্যু আসে ইস্যু যায়...

লাটাগুড়ির 'অ্যাক্সিডেন্ট রোডে' এ বার বিশেষ নজরদারি পুলিশেরAikuistuminen ja ElämänopetuksetB2
Ei SamaySep 1

লাটাগুড়ির 'অ্যাক্সিডেন্ট রোডে' এ বার বিশেষ নজরদারি পুলিশের

এই সময়, লাটাগুড়ি: জঙ্গলের রাস্তা। চারদিকে সবুজের স্নিগ্ধতা। এর মধ্যেই বারবার রক্তে রাঙা হচ্ছে রাজপথ। প্রাণ হারাচ্ছে মানুষ, না-মানুষেরাও! লাটাগুড়ি থেকে চালসাগামী ৭১৭ নম্বর জাতীয় সড়কে কয়েক দিনের ব্যবধানে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটে গিয়েছে। ১০ কিলোমিটার জঙ্গল-পথ বর্তমানে হয়ে উঠেছে 'অ্যাক্সিডেন্ড-রোড'। রবিবারও বেপরোয়া মোটরবাইকের গতি কেড়ে নিয়েছে একটি প্রাণ। তিন জন এখনও আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। এই ঘটনা-সহ এখনও পর্যন্ত গত এক মাসে ওই জঙ্গল-পথে পাঁচটি বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাতে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে তিন জনের। আহত অন্তত ১০ জন। এ ছাড়াও ছোটখাট দুর্ঘটনা লেগেই আছে। গাড়ির ধাক্কায় হরিণ, সাপ, হাতি, বাঁদর-সহ বন্যপ্রাণীদের মৃত্যু কিংবা জখম হওয়ার ঘটনাও কম নয়। এতগুলি ঘটনা ঘটার পরে অবশেষে টনক নড়েছে পুলিশ-প্রশাসনের। সোমবার থেকে ওই রাস্তায় গাড়ি-মোটরবাইকের গতির উপরে বিশেষ নজরদারি শুরু করেছে পুলিশ। রবিবার মোটরবাইকের সঙ্গে স্কুটারের সংঘর্ষে গুরুতর জখম হন চার জন। স্কুটারে থাকা সমীর বসু এবং তাঁর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সিদ্ধা বসুকে একট্ নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। এ দিন মৃত্যু হয় সমীরের। প্রিয়াঙ্কা মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। অন্যদিকে মোটরবাইকে থাকা রোহিত মহম্মদ এবং আলিফ মহম্মদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ দিন জলপাইগুড়ি জেলা ট্র্যাফিকের ডিএসপি গ্যালসেন লেপচা দুর্ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখেন। তিনি জানান, এক কিলোমিটার অন্তর ইয়েলো রাম্বেল স্ট্রিপ এবং একাধিক সাইনিং বোর্ড লাগানো হবে। রাস্তার দু'প্রান্তে থাকবে গতি পরিমাপক 'স্পিড গান'। জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র পেতে উপচে পড়া ভিড়৫০ ও ১০০ টাকায় বিকোচ্ছে ভাঙনগ্রস্তদের সরকারি ত্রিপল, তদন্তের নির্দেশ জেলা প্রশাসনেরনদীর ধারে হাজার হাজার হোমস্টে, হড়পা বানে কি হুঁশ ফিরবে উত্তরেজন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র পেতে উপচে পড়া ভিড়ডিএসপি আরও জানিয়েছেন, জঙ্গল-পথের দু'প্রান্তে পুলিশের তরফে এন্ট্রিপয়েন্ট করা হচ্ছে। জঙ্গলের মাঝে যে সমস্ত বিপজ্জনক বাঁক রয়েছে, সেই জায়গাগুলি পরিষ্কার করে একাধিক বোর্ড বসানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ। গ্যালসেন বলেন, 'দুর্ঘটনা রুখতে একাধিক পদক্ষেপ করা হচ্ছে। নিয়ম ভাঙলেই জরিমানা করা হবে।' এ দিন ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন জাতীয় সড়ক উন্নয়ন নিগমের (এনএইচআইডিসিএল) প্রতিনিধিরাও। তাঁরা রাস্তাটি সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন। তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, এতকিছুর পরেও দুর্ঘটনা বন্ধ হবে তো?

জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র পেতে উপচে পড়া ভিড়Viihde ja JulkkiksetC1
Ei SamaySep 1

জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র পেতে উপচে পড়া ভিড়

এই সময়, কোচবিহার: প্রায় তিন মাস বন্ধ ছিল জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্রের ডিজিটাইলেজশনের করার কাজ। একই সঙ্গে বন্ধ ছিল সংশোধনী বা নতুন শংসাপত্র দেওয়ার কাজ। এর ফলে প্রতিদিনই পুরসভা থেকে বহু মানুষ ঘুরে গিয়েছেন। সেই কাজ শুরু হতেই নজিরবিহীন ভিড় লক্ষ্য করা গেল কোচবিহার পুরসভা চত্বরে। ১৮ অগস্ট থেকে পুনরায় শংসাপত্রের কাজ শুরু হয়। আর ৩১ অগস্ট, মাত্র ১৪ দিনেই পাঁচ হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়ল কোচবিহার পুরসভায়।গত কয়েকদিনের মতো সোমবারও কোচবিহার পুরসভা চত্বরে কয়েকশো মানুষ সকাল থেকেই ভিড় করেন। দীর্ঘ লাইন এসে পড়ে মূল রাস্তায়। সামাল দিতে নামানো হয় পুলিশ। পরে বিকেল চারটে বাজতেই কোচবিহার পুরসভার প্রধান গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয় স্লিপ। বুধবারের তারিখ দিয়ে ১৩৫ জনকে স্লিপ ধরিয়েছে এদিন পুর কর্তৃপক্ষ। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা পারমিতা ভড় আচার্য নামে এক গৃহবধূ বলেন, 'অনলাইনে জন্ম শংসাপত্রের কাজ হচ্ছে না। তাই সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছি। তার ওপর আবার এদিন শুধু ফর্ম তোলা যাবে। পরে নাকি তা জমা করতে হবে। এগুলো শুধু হয়রানি। রফিকা খাতুন নামে আরেকজন বলেন, 'তিন ঘণ্টার বেশি লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এই কাজ করতে এত হয়রানি হতে হবে তা জানা ছিল না। সন্তানের আধার কার্ড করতে ডিজিটাল শংসাপত্র প্রয়োজন। তাই লাইনে আছি।'কোচবিহার পুরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত এক আধিকারিক বলেন, 'জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র তৈরি বা সংশোধনীর কাজ এখন নিয়মিত ভাবেই চলবে। সাধারণ মানুষ অনেকেই গুজবে তাড়াহুড়ো করে এই কাজ করতে চাইছেন। তাই এত ভিড়।'

ডিজিটাল অ্যারেস্টের ফাঁদে চিকিৎসক, খোয়ালেন ২৪ লক্ষ টাকা, দু’বছর পরে ভোপাল থেকে গ্রেপ্তার দুই নাইজেরিয়ানKauhu ja MysteeriB1
Ei SamaySep 1

ডিজিটাল অ্যারেস্টের ফাঁদে চিকিৎসক, খোয়ালেন ২৪ লক্ষ টাকা, দু’বছর পরে ভোপাল থেকে গ্রেপ্তার দুই নাইজেরিয়ান

‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’-এর ফাঁদে ফেলে নদিয়ার কল্যাণীর এক চিকিৎসকের কাছ থেকে ২৪ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে উঠেছিল আগেই। প্রায় দু’বছর পরে মধ্যপ্রদেশের ভোপাল থেকে দুই নাইজেরিয়ানকে গ্রেপ্তার করল রানাঘাটের সাইবার থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম জুনাইদা টুকুর সানি এবং আলিয়ু সানি গার্বা। পুলিশ সূত্রে খবর, দু’জনেই ভোপালের একটি কলেজে পড়াশোনা করতেন। ট্রানজিট রিমান্ডে তাঁদের কল্যাণীতে নিয়ে আসা হয়েছে।এক নজরেকী অভিযোগ: ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’-এর ফাঁদে ফেলে কল্যাণীর এক চিকিৎসকের কাছ থেকে ২৪ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ।কবে ঘটনা: ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত দফায় দফায় টাকা নেওয়া হয় বলে অভিযোগ।কোথা থেকে গ্রেপ্তার: মধ্যপ্রদেশের ভোপাল থেকে দুই নাইজেরিয়ানকে গ্রেপ্তার করেছে রানাঘাটের সাইবার থানার পুলিশ।ধৃতদের পরিচয়: জুনাইদা টুকুর সানি এবং আলিয়ু সানি গার্বা। দু’জনেই ভোপালের একটি কলেজে পড়াশোনা করতেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর।তদন্তে কী উঠে আসছে: এই প্রতারণার পিছনে আরও বড় কোনও আন্তর্জাতিক চক্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪-এর ৭ নভেম্বর ওই চিকিৎসকের মোবাইলে একটি ফোন আসে। টেলিফোন বিভাগের উচ্চপদস্থ আধিকারিক পরিচয় দিয়ে চিকিৎসককে জানানো হয়, তাঁর নামে থাকা একটি সিম কার্ড ব্যবহার করে অপরাধমূলক কাজ করা হয়েছে। এর পরেই তাঁকে ভয় দেখিয়ে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ করা হয় বলে অভিযোগ।৭ নভেম্বর থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত দফায় দফায় ওই চিকিৎসকের কাছ থেকে প্রতারকরা মোট ২৪ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন বলে অভিযোগ। শেষে ২৪ নভেম্বর কল্যাণী সাইবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।অভিযোগ পাওয়ার পরে তদন্তে নামে সাইবার থানার পুলিশ। ফোন নম্বরের সূত্র ধরে শুরু হয় তদন্ত। তখনই মধ্যপ্রদেশের ভোপালের দুই নাইজেরিয়ানের সন্ধান মেলে। এই ঘটনার সঙ্গে তাঁরাই জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ। এর পরে সেখান থেকেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।ধৃতদের কল্যাণী মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে। তাঁদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে তদন্তকারীদের অনুমান, এই প্রতারণার পিছনে আরও বড় কোনও আন্তর্জাতিক চক্র কাজ করতে পারে। ধৃতদের জেরার পরেই সেই বিষয়ে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।FAQ১. কী ভাবে চিকিৎসককে প্রতারণা করা হয়েছিল?টেলিফোন বিভাগের উচ্চপদস্থ আধিকারিক পরিচয় দিয়ে তাঁকে ফোন করা হয়। তাঁর নামে থাকা একটি সিম কার্ড দিয়ে অপরাধমূলক কাজ হয়েছে বলে ভয় দেখানো হয়। এর পর তাঁকে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ করার অভিযোগ ওঠে।২. চিকিৎসক কত টাকা খোয়ান?অভিযোগ অনুযায়ী, ৭ থেকে ১৬ নভেম্বরের মধ্যে দফায় দফায় মোট ২৪ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।৩. কবে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন চিকিৎসক?২০২৪ সালের ২৪ নভেম্বর কল্যাণী সাইবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।৪. কত জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে?এই ঘটনায় দুই নাইজেরিয়ান নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভোপাল থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।৫. এই প্রতারণার পিছনে কি বড় কোনও চক্র রয়েছে?তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, এর পিছনে আরও বড় কোনও আন্তর্জাতিক প্রতারণা চক্র থাকতে পারে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের পর বিষয়টি আরও স্পষ্ট হতে পারে।দু'কোটির ডিজিটাল অ্যারেস্ট: তদন্ত-নির্দেশ সিবিআইকে

আজকের রাশিফল: ভাদ্র কৃষ্ণা চতুর্থীতে আয় বাড়বে মিথুন রাশির, বাকিদের ভাগ্যে কী?TerveysA2
Ei SamaySep 1

আজকের রাশিফল: ভাদ্র কৃষ্ণা চতুর্থীতে আয় বাড়বে মিথুন রাশির, বাকিদের ভাগ্যে কী?

আজ, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার — চাঁদ মেষ রাশিতে গোচর করবে। পঞ্জিকা অনুসারে আজ সকাল ৭টা ৪১ মিনিট পর্যন্ত ভাদ্র কৃষ্ণা চতুর্থী তিথি থাকবে, তারপর শুরু হবে ভাদ্র কৃষ্ণা পঞ্চমী তিথি। এর পাশাপাশি আজ থাকবে বৃদ্ধি যোগ ও ধ্রুব যোগের প্রভাব। জ্যোতিষমতে মঙ্গলবার বজরংবলীর দিন — জেনে নিন মেষ থেকে মীন, ১২ রাশির আজকের ভাগ্য।মেষ রাশি দৈনিক রাশিফল আজ মেষ রাশির জাতকরা সংক্রামক রোগের শিকার হতে পারেন। রাজনৈতিক ব্যক্তিদের জনসংযোগ বাড়বে। কাছের বন্ধুর থেকে আজ আপনার ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। ঝুঁকিবহুল কাজে আয় বাড়বে। উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ যাত্রার যোগ রয়েছে মেষ রাশির জাতকদের।বৃষ রাশি দৈনিক রাশিফলসঙ্গীর প্রতি আজ আকর্ষণ বাড়বে। বৈবাহিক সম্পর্কে জড়ানোর আগে ভালো করে খোঁজ-খবর নিন। পারিপার্শ্বিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে। পুরোনো রোগ থেকে মুক্তির সম্ভাবনা আছে। উত্তরাধিকার বা বীমা সূত্রে অর্থ প্রাপ্তির যোগ রয়েছে। দাম্পত্যে মতানৈক্য আসতে পারে।মিথুন রাশি দৈনিক রাশিফলআজ খরচের মাত্রা বাড়বে মিথুন রাশির জাতকদের। গলার সমস্যায় কষ্ট পেতে পারেন। নতুন বাড়ি নির্মাণ বা কেনার সুযোগ আসতে পারে। কর্মস্থানে অবৈধ কাজের সাক্ষী হতে পারেন। ব্যবসায় কোনও হঠকারী সিদ্ধান্ত নিলে ঠকতে হতে পারে। অর্থ উপার্জন ঠিকমতো হবে। সামাজিক কাজে অনুদানের জন্য অর্থ ব্যয় হতে পারে।কর্কট রাশি দৈনিক রাশিফলআজ অবিবাহিতদের বিয়ের সম্বন্ধ আসতে পারে। অনেক কাজ একসঙ্গে হাতে নিয়ে কর্মস্থলে ঝামেলায় পড়তে পারেন। খনিজ ও তরল ব্যবসা লাভজনক হবে। শারীরিক সমস্যা বোধ করলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আর্থিক প্রাপ্তি হতে পার। আজ বাড়িতে অতিথি আগমন হতে পারে।সিংহ রাশি দৈনিক রাশিফলআর্থিক চিন্তা আজ কিছুটা কম হবে। কর্মক্ষেত্রে আপনার ভুলত্রুটির কারণে শত্রু বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ছোটখাটো সমস্যা বাদ দিলে স্বাস্থ্য মোটামুটি ভালোই থাকবে। কর্মক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুনজরে আসবেন। প্রযুক্তি ক্ষেত্রে কর্মরতদের আজ পদোন্নতি এবং বিদেশ যাত্রার সম্ভাবনা আছে।কন্যা রাশি দৈনিক রাশিফল গুরুপাক এবং অনিয়মিত খাওয়া দাওয়ার কারণে আজ শারীরিক সমস্যায় পড়তে পারেন। শরিকি সম্পর্কের অবনতি হতে পারে। কৃষিকাজে উন্নতি হবে। জনকল্যাণমূলক বা সেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন। বয়স্ক ব্যক্তিরা চোখের সমস্যায় কষ্ট পেতে পারেন।তুলা রাশি দৈনিক রাশিফলকোনও অভিজাত ব্যক্তির বন্ধুত্ব পেতে পারেন। কর্মক্ষেত্রে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সমস্যায় পড়তে পারেন। ওষুধ ও বৈদ্যুতিন সামগ্রীর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা আজ লাভবান হবেন। বিবেচনাহীন লগ্নি করলে আর্থিক ক্ষতি হতে পারে। অযোগ্য ব্যক্তিকে ঋণ দিলে সেই টাকা ফিরে পাবেন না।বৃশ্চিক রাশি দৈনিক রাশিফলশরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে আজ বিশেষ সচেতন থাকা উচিত বৃশ্চিক রাশির জাতকদের। কর্মক্ষেত্রে আপনার পেশাদারিত্ব এবং দায়িত্ববোধ সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। মামার শরীর খারাপ হতে পারে। জীবনসঙ্গীর সহায়তায় জটিল সমস্যার সমাধান হবে। স্বর্ণকার ও কাগজ ব্যবসায়ীরা বিশেষ লাভবান হবেন। কাছাকাছি ভ্রমণ হতে পারে।ধনু রাশি দৈনিক রাশিফলকর্মক্ষেত্রে পদোন্নতিতে দেরি হলেও নিরাশ হবেন না। আত্মমর্যাদার প্রশ্নে খানিকটা বিব্রত হবেন। কোনও বিদেশি বহুজাতিক কোম্পানিতে চাকরি পেতে পারেন। সন্তানের শিক্ষার কারণে খরচ বাড়বে। গুরুস্থানীয় ব্যক্তির আচরণে মনে কষ্ট পাবেন। আপনার কৌশলী কথায় জটিল সমস্যার সমাধান হবে।মকর রাশি দৈনিক রাশিফলআজ ব্যবসায়ীদের সাময়িক সমস্যা হতে পারে। ক্ষুদ্র ও কুটির ও শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীরা আজ লাভবান হবেন। ভ্রাতৃস্থানীয় ব্যক্তি বিপদে পড়তে পারেন। বড় সংস্থায় নতুন চাকরি পেতে পারেন। দালাল ও মধ্যস্থতাকারীদের ব্যবসা লাভজনক হবে। মায়ের সঙ্গে মতপার্থক্য হতে পারে। বন্ধুত্বের সম্পর্ক তিক্ত হতে পারে।কুম্ভ রাশি দৈনিক রাশিফলকুম্ভ রাশির জাতকদের আজ আয়-ব্যয়ের হিসেব ঠিক থাকবে। প্রশাসনিক স্তরে কর্মরত ব্যক্তিদের উন্নতির যোগ রয়েছে। শরীর খুব একটা ভালো থাকবে না। অম্ল, অর্জীণ ও হজমের সমস্যায় আজ আপনাকে ভুগতে হতে পারে। আইনি সমস্যা ও ঝামেলা থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।মীন রাশি দৈনিক রাশিফলবন্ধুদের সঙ্গে আজ বিশেষ সময় কাটাতে পারেন। কর্মক্ষেত্রে হতাশা ও উৎকণ্ঠা বাড়বে। নার্ভ ও হাঁটুর সমস্যায় কষ্ট পেতে পারেন। আত্মীয়ের সঙ্গে সম্পর্কের তিক্ততা মিটে যাবে। খরচ কমাতে পারলে আর্থিক স্বস্তি পাবেন। মাইগ্রেন বা মাথার যন্ত্রণায় কষ্ট পেতে পারেন। আচমকা কোনও অপ্রত্যাশিত ক্ষেত্র থেকে অর্থপ্রাপ্তি হতে পারে। FAQপ্রশ্ন: আজ ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ কোন তিথি?উত্তর: আজ সকাল ৭টা ৪১ মিনিট পর্যন্ত ভাদ্র কৃষ্ণা চতুর্থী তিথি থাকবে। তারপর শুরু হবে ভাদ্র কৃষ্ণা পঞ্চমী তিথি।প্রশ্ন: আজ চাঁদ কোন রাশিতে গোচর করছে?উত্তর: আজ চাঁদ মেষ রাশিতে গোচর করবে, যা এই দুই রাশির জাতকের জন্য বিশেষ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।প্রশ্ন: আজকের সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় কী?উত্তর: আজ ভোর ৫টা ১৯ মিনিটে সূর্যোদয় এবং বিকেল ৫টা ৫৪ মিনিটে সূর্যাস্ত হবে।প্রশ্ন: আজ কোন যোগ ও নক্ষত্র থাকছে?উত্তর: আজ বৃদ্ধি যোগ ও ধ্রুব যোগের প্রভাব থাকছে, পাশাপাশি অশ্বিনী নক্ষত্র ও ভরনী নক্ষত্র বিরাজ করবে।প্রশ্ন: আজ কোন রাশির জাতকদের সবচেয়ে ভালো দিন যাবে?উত্তর: রাশিফল অনুসারে কর্কট, তুলা ও বৃশ্চিক রাশির জাতকরা আজ কর্মক্ষেত্র ও সাংসারিক জীবনে বিশেষ সুফল পেতে পারেন।প্রশ্ন: মঙ্গলবার রাশিফলে কেন বজরংবলীর কথা উল্লেখ করা হয়?উত্তর: জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে মঙ্গলবার বজরংবলীর দিন হিসেবে বিবেচিত হয়, তাই এই দিনে হনুমানজির আশীর্বাদের প্রভাব রাশিফলে বিশেষ ভাবে আলোচিত হয়।তথ্য সহায়তা: দেবজ্যোতি মজুমদারযোগাযোগ: 9874630830

৫০ ও ১০০ টাকায় বিকোচ্ছে ভাঙনগ্রস্তদের সরকারি ত্রিপল, তদন্তের নির্দেশ জেলা প্রশাসনেরKoulutus ja KouluB1
Ei SamaySep 1

৫০ ও ১০০ টাকায় বিকোচ্ছে ভাঙনগ্রস্তদের সরকারি ত্রিপল, তদন্তের নির্দেশ জেলা প্রশাসনের

এই সময়, মালদা: এক নির্দল পঞ্চায়েত সদস্যার বাড়ির সামনে গ্রামবাসীদের লম্বা লাইন। বারান্দায় বসে রয়েছেন হীরানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্দল সদস্য সবিতা মাহাতোর স্বামী নিমাই মাহাতো। খাতা কলম নিয়ে একে একে গ্রামবাসীদের নাম ধরে ডাকছেন। যাঁদের ডাকা হচ্ছে, তাঁদের কেউ দিচ্ছেন ৫০ টাকা, কেউ দিচ্ছেন ১০০ টাকা। টাকা দেওয়ার পরে গ্রামবাসীদের হাতে ত্রিপল তুলে দেওয়া হচ্ছে। সেগুলি সবই সরকারি। সোমবার সকাল থেকেই মানিকচক ব্লকের ভুতনি থানার হীরানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার এমন একটি ভিডিয়ো (সত্যতা যাচাই করেনি 'এই সময়') ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে জেলা প্রশাসন। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। ইতিমধ্যে নির্দল ওই পঞ্চায়েত সদস্য ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে মানিকচক ব্লক প্রশাসন ভূতনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয়টি নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মালদার অতিরিক্ত জেলাশাসক অনিন্দ্য সরকার।হীরানন্দপুর গ্রামে রয়েছে নির্দল প্রার্থী সবিতা মাহাতোর বাড়ি। তাঁর স্বামী নিমাই পেশায় কৃষক। এই হীরানন্দ গ্রাম পঞ্চায়েতে বর্তমানে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। প্রধান রয়েছেন বিজেপির অনিমা মণ্ডল। তিনিও বিষয়টি জানার পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি করেছেন। হীরানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতটি গঙ্গার ভাঙন ও বন্যা কবলিত এলাকা। এবারও ওই এলাকায় ভাঙন চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে প্রতি বছরই পঞ্চায়েত থেকে ত্রাণের ত্রিপল দেওয়া হয়ে থাকে। একেকটি পরিবার দুই থেকে তিনটি করে ত্রিপল পায়। কিন্তু এই সরকারি ত্রিপল টাকার বিনিময় বিলি করার অভিযোগ উঠেছে পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীর বিরুদ্ধে। হীরানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কেশরপুর এলাকার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত বিমল মণ্ডল, মনিকা মণ্ডল, আজাদ আলি বলেন, 'ভাঙনের পর অনেকেই খোলা জায়গায় রয়েছেন। বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে ত্রিপলের প্রয়োজন। এই পরিস্থিতিতে আমাদের ওই পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীর কাছ থেকে নতুন ত্রিপল কিনতে হচ্ছে। ৫০ টাকা পিস হিসাবে এক একটি ত্রিপল বিক্রি করা হচ্ছে। টাকা না দিলে সরকারি ত্রিপল দেওয়া হবে না বলে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।'নদীর ধারে হাজার হাজার হোমস্টে, হড়পা বানে কি হুঁশ ফিরবে উত্তরেঅভিযোগ অস্বীকার করে নিতাই বলেন, 'রীতিমতো পরিকল্পনা করে আমার এই ভিডিয়ো ভাইরাল করা হয়েছে। আমি কিন্তু হাতে টাকা নিইনি। সরকারি নিয়ম মেনে যাঁরা এই ত্রিপল পাওয়ার যোগ্য, তাঁদের নাম লিখে সেগুলি বিলি করা হচ্ছিল। মানিকচকের বিজেপি বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডল বলেন, 'বিজেপির আমলে আমরা লুটতরাজ হতে দেবো না। ভিডিয়োটি দেখেছি। এই বিষয়ে তদন্ত হবে। প্রশাসনকে বলা হয়েছে।' শিশুবিভাগে সাপ! ছোবল খেলেন সিকিউরিটি গার্ড জেলা তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, 'এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি করেছি এবং উপযুক্ত আইন অনুযায়ী কঠোরতম শাস্তি চাই।' অতিরিক্ত জেলাশাসক অনিন্দ্য সরকার বলেন, 'ত্রিপল বিক্রির ভাইরাল ছবি প্রশাসনের নজরে এসেছে। নিমাই মাহাতোর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিডিওকে তদন্ত করে রিপোর্ট পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।'মহিলা দেখলেই বাড়ে বাসের গতি, চোপড়ায় অবরোধ